গ্রামীণফোন বিটিআরসির কাছে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের আবেদন করেছে
- আপডেট সময় : 09:29:39 am, Monday, 13 October 2025 235 বার পড়া হয়েছে
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, এসএমপি (SMP) কাঠামোর অধীনে বর্তমানে অন্তত ২০ ধরনের বিধিনিষেধ আছে, যার মধ্যে ৩টি গ্রামীণফোনের ওপর প্রযোজ্য। তিনি বলেন, বিটিআরসি যখন এই বিধিনিষেধগুলোর পর্যালোচনা করবে, তখন বিশ্লেষণ করা হবে যে এই তিনটি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে, নাকি আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
গত আগস্টে বিটিআরসির ২৯৮তম কমিশন সভা-তে এসএমপি এবং নন-এসএমপি অপারেটরদের কল টার্মিনেশন রেট নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় জানানো হয়, ১৬ জুলাই ২০২০ থেকে রবি ও বাংলালিংকের জন্য ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এবং টেলিটকের জন্য ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মোবাইল টার্মিনেশন রেট (MTR) থেকে মোট ৭০০ কোটি ৩৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪৮৭ টাকা জমা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২২০ কোটি টাকা ব্যবহৃত হয়নি।
বিটিআরসি আরও জানায় যে, নন-এসএমপি অপারেটররা এসএমপি নীতি অনুযায়ী এমটিআর থেকে প্রাপ্ত অর্থ প্রতি মিনিট ৩ পয়সা হারে আলাদা হিসাব রাখবে। এই অর্থ দুর্গম, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ব্যবহার করতে হবে। অপারেটররা বছরের জানুয়ারি ও জুলাই মাসে এই অর্থের আয়-ব্যয় কমিশনের কাছে জমা দেবে।
গ্রামীণফোনের বিধিনিষেধ শিথিল করার চিঠি সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, “টেলিকম খাতে সম্প্রতি একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হয়েছে। এ নীতির অধীনে গাইডলাইন তৈরি হবে। এরপর এসএমপি কাঠামো পর্যালোচনা করা হবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতার পরিস্থিতি দেখা হবে। বর্তমানে এসএমপি অধীনে অন্তত ২০ ধরনের বিধিনিষেধ আছে, যার মধ্যে ৩টি গ্রামীণফোনের ওপর প্রযোজ্য। আমরা পর্যালোচনা করার সময় সিদ্ধান্ত নেব, এই তিনটি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে, নাকি আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”










