নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই: তারেক রহমান
- আপডেট সময় : 12:07:20 pm, Thursday, 25 December 2025 20 বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি একই সঙ্গে সব ধরনের উসকানির মুখে সংযম ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান।
গণ–আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর দেশে বিভিন্ন সহিংসতা ও অপরাধমূলক ঘটনার কারণে জনমনে যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরে এই বার্তা দেন তারেক রহমান। বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল জয়ী হলে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৩৯ মিনিটে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে দলের শীর্ষ নেতারা তাঁকে স্বাগত জানান। প্রায় এক ঘণ্টা বিমানবন্দরে অবস্থানের পর দুপুর ১২টা ৪১ মিনিটে তিনি পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার উদ্দেশে রওনা হন। বিমানবন্দর এলাকা ও পূর্বাচলের বিভিন্ন সড়কে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী জড়ো হন। শুভেচ্ছা গ্রহণ করতে করতে সাত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তাঁর তিন ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে।
বিকেলে পূর্বাচলে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। বিকেল চারটার আগেই তিনি জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে ওঠেন। লাখো মানুষের সামনে বক্তৃতায় তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোপন তৎপরতাকারীরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, তাই সবাইকে ধৈর্যশীল ও সচেতন থাকতে হবে।
তরুণদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের হাতেই যাবে। শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো ও মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব এখনই তরুণদের গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। উসকানি এলে আবেগে না ভেসে ধীর ও শান্ত থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
তারেক রহমানের বক্তব্যের আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। মঞ্চে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সকাল থেকেই নেতাদের বক্তব্যে উজ্জীবিত হয়ে সারা দেশ থেকে আগত লাখো নেতা–কর্মী এই সংবর্ধনা কর্মসূচিতে অংশ নেন।









