তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা দেশের গণতন্ত্রকে আবার মূল পথে ফেরাবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
- আপডেট সময় : 08:32:51 am, Thursday, 20 November 2025 184 বার পড়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের মাধ্যমে দেশ আবার “গণতন্ত্রের মহাসড়কে” উঠতে পারবে। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা বাতিলের পর যে নির্বাচনগুলো হয়েছিল, সেগুলো কার্যত দেশের গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করেছিল।
এর আগে আপিল বিভাগ ১৪ বছর আগের যে রায় দিয়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বাতিল করেছিল, সেটি পুরোপুরি বাতিল করে নতুন রায় দেয়। পুরোনো রায়ের বিরুদ্ধে করা সব আপিল ও রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করে আদালত জানায়, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার–সংক্রান্ত বিধান এবার পুনরুজ্জীবিত হলো এবং ভবিষ্যতে প্রয়োগযোগ্য থাকবে। পরবর্তী সংসদ ভাঙার ১৫ দিনের মধ্যে এ ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারবে।
বিচারব্যবস্থার ওপর রাজনৈতিক পক্ষপাতের প্রশ্নে তিনি বলেন, এ অভিযোগের সঙ্গে তিনি একমত নন। কোন রায় গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করে—তা জাতিই বিচার করবে।
তিনি জানান, ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত হওয়া তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা আবার সাংবিধানিকভাবে বৈধতা পেয়েছে। পূর্ণাঙ্গ রায়ে এটিকে গণতন্ত্রের সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জুলাই সনদে থাকা কাঠামো পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি সংসদের আলোচনার ওপর নির্ভর করবে। ভবিষ্যতে যদি জনগণ মনে করে আরও ভালো ব্যবস্থা দরকার, তাহলে সংসদে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এছাড়া তিনি আগের রায়কে “ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কিত” বলার ব্যাখ্যায় বলেন, বিভিন্ন কারণে সেই রায় বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল রায় রচনার সময় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ও সহকারীদের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ।
অ্যাটর্নি জেনারেল মনে করেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে এই রায় নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো বিতর্ক ওঠা উচিত নয়।






