রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা জোরদার
- আপডেট সময় : 03:26:43 am, Monday, 17 November 2025 173 বার পড়া হয়েছে
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সোমবার রায় দেওয়ার কথা রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের। রায় ঘোষণার আগের রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেলে শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বাসার সামনে, এনসিপি অফিসের সামনে, কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারার এলাকা, মিরপুর ১২, শ্যামপুর, মহাখালী, দারুস সালাম, বাড্ডাসহ কমপক্ষে ডজনখানেক স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কিছু এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। তবে কোনো প্রাণহানি হয়নি।
রাত ৯টার পর নিউমার্কেটের সেন্ট্রাল রোডে রিজওয়ানা হাসানের বাসার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। একই সময়ে বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটলে পথচারী ও যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এদিকে, রায়কে ঘিরে সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে মোবাইল টহল, রেল ও নৌপথের গোয়েন্দা নজরদারি। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজধানীতে প্রবেশের চেষ্টা করলে তা ঠেকাতে সব থানাকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা বা পুলিশের ওপর হামলা হলে আইনের আওতায় গুলি চালানোর ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়া আছে।
ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো গোষ্ঠী পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






