ঢাকা 10:58 pm, Wednesday, 29 July 2026

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : 09:04:27 am, Sunday, 23 November 2025 332 বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

আপডেট সময় : 09:04:27 am, Sunday, 23 November 2025

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর ও টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিত। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইনমেন্ট নকশার জটিলতা, বনবিভাগের গাছপালার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে অসহযোগিতা ও পল্লী বিদ্যুতের বিলম্বের কারণে প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, পুরোনো সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলায় একমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় শতশত হাজার মানুষ—জরুরি স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে—বিরাট ভোগান্তিতে পড়ছেন। খানাখন্দপূর্ণ রাস্তায় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের মেইনটেন্যান্স খরচও বহুগুণ বেড়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়, সড়ক প্রকল্পের জন্য ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমির অধিগ্রহণের কাজ চলছে, যা ২০টি এলএ কেসের আওতায়। কেস নং-৩২, ৩৩ ও ৩৪ অন্তর্ভুক্ত মৌজায় ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চলমান, এবং কেস নং-৩১ এর জন্য নোটিশ প্রদানের কাজ চলছে। বাকি ১৬টি কেসের জন্য আপত্তি সমাধান ও তদন্তের কাজ তৎপরভাবে চলছে।

কিছু মৌজায় এলাইনমেন্ট নকশা ও বনবিভাগের গাছপালার মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব থাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ধীরগতিতে চলছে। এ সময়ে প্রাক্কলন প্রস্তুতি ও প্রেরণ কাজও পর্যায়ক্রমে চলমান।

সম্প্রতি, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, ব্যয় বৃদ্ধির ছাড়া। অনুমোদিত হলে, আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে। মোট প্রকল্প ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশে ১১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ। ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত পাঁচ বছর ধরে এই পথে যাতায়াত করতে হয়। যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন, সময় ও আরাম নষ্ট হয়, ঝাকুনিতে অসুস্থ হয়ে যান মানুষ। ট্রাক চালক শহীদ মিয়া বলেন, গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ও মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়েছে। তারা দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই-এর প্রকল্প ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসির আন্তরিক প্রচেষ্টায় দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান সম্ভব হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান বলেন, পট পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য কারণে কাজ কিছুটা স্থবির হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সময়সীমা বৃদ্ধির মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ ও চলাচলের উপযোগী একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদান করা সম্ভব হবে।